পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার ১০টি সহজ উপায়

পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকতে হলে আমাদের বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে বইয়ের পাতায় অথবা ল্যাপটপের স্কিনের সামনে। বিশেষ করে যখন পরীক্ষার চাপ থাকে বা নতুন কোন স্কিল শেখার থাকে তখন নিজের শরীরের দিকে নজর দেওয়ার সময় পাওয়া যায় না। 

পড়াশোনার-পাশাপাশি-ফিট


একটি সুস্থ শরীরই পারে একটি সচল মস্তিষ্ক উপহার দিতে। আপনি যদি পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে ফিট রাখতে চান তবে নিচের সহজ টিপস গুলো অনুসরণ করতে পারেনঃ

পেজ সূচিপত্রঃ পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার ১০টি সহজ উপায়

পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার জন্য অল্প কিছু ব্যায়াম

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীর চর্চা করা স্বাস্থ্যর জন্য খুবই উপকারী। এটি আপনার শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে এবং সারাদিন কাজ করা শক্তি যোগায়। মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করলে শরীর অনেক হালকা বোধ করে। নিয়মিত এ অভ্যাসটি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে অনেক সাহায্য করবে। ব্যায়াম করলে আমাদের শরীর ও মস্তিষ্ক অনেক ভালো থাকে এতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আসে।

সকালে নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের অলস ভাবটা দূর হয়ে যায় এতে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার প্রতি মন বসে। তাই পড়ার টেবিলে বসার আগে সামান্য শরীর চর্চা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সকালের ব্যায়ামের মধ্যে আপনি যোগব্যায়াম অথবা জোরে হাটা এগুলো করতে পারেন। ঘরের বারান্দায় বা ছাদে গিয়ে বুক ভরে নির্মল বাতাস গ্রহণ করুন। এটি ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখে। এবং পড়াশোনায় মন বসাতে সকালের এই সময়টি কাজে লাগান।

ফিট থাকার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি 

সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পানের কোন বিকল্প নেই। পড়াশুনার চাপে আমরা অনেক সময় ঠিকমতো খাবার খেতে একদম ভুলে যায়। কিন্তু মস্তিষ্ক সচল রাখতে  সঠিক পুষ্টি সরবরাহ থাকা আবশ্যক । তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ শাকসবজি এবং তাজা ফলমূল রাখার চেষ্টা করুন। সারাদিন নিজেকে সতেজ রাখতে প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করা জরুরী। পানির অভাবে ডিহাইড্রেশন হতে পারে যা মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি সৃষ্টি করে। পড়ার টেবিলের পাশে সব সময় একটি পানির বোতল রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর কয়েক চুমুক পানি পান আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখবে। বাইরের ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এ খাবার গুলো শরীরকে অলস করে দেয় এবং দ্রুত ঘুম নিয়ে আসে। এর বদলে বিকেলের নাস্তায় বাদাম, ফল বা ঘরে তৈরি খাবার খান। সঠিক খাদ্যাভাস আপনার শারীরিক গঠন এবং মানসিক বিকাশ বজায় রাখবে।

পড়ার মাঝে বিরতি নেওয়া জরুরি

টানা অনেকক্ষণ বসে পড়াশোনা করা শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর হতে পারে। এতে মেরুদন্ড ও ঘাড়ের পেশীতে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রতিদিন এক ঘন্টা করে পড়ার পর পাঁচ মিনিটের বিরতি নিন। এই বিরতির সময় একটু হাটাহাটি করলে শরীরের পেশিগুলো আরাম পায় । বিরতির সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে চোখের বিশ্রাম দিন। জানালার বাইরে সবুজ প্রকৃতির দিকে তাকালে চোখের ক্লান্তি অনেকটা কমে যায়।

দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে ব্যথা অথবা মাথায় ব্যথা হতে পারে। তাই বিরতির সময় চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া ভালো। ছোট ছোট বিরতি আপনার পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। বিরতির পরে যখন আপনি পড়তে বসবেন তখন পড়া দ্রুত মুখস্ত হবে । পড়াশোনাকে একঘেয়েমি মনে হবে না এবং নতুন তথ্য মনে রাখা সহজ হবে। সঠিক বিরতি আপনার পড়াশোনার মান উন্নত করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক প্রশান্তি

একজন শিক্ষার্থীর জন্য রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হওয়া অত্যন্ত জরুরি বিষয়। ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক সারা দিনের শেখা তথ্যগুলো স্মৃতিতে জমা করে। প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। সঠিক ঘুমের সময় হচ্ছে রাত দশটা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত। পড়াশোনার তীব্র চাপ বা পরীক্ষার ভয় মানসিক উদ্যোগের সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিদিন ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে দীর্ঘশ্বাস নিলে মন শান্ত হয়। শান্ত মন পড়াশোনায় জটিল বিষয়গুলো দ্রুত বুঝতে অনেক সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে ল্যাপটপ বা মোবাইল নিজের থেকে দূরে রাখুন। ফোনের নীল আলো ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে ব্যাঘাত ঘটায়। একটি সুন্দর ঘুমের পরিবেশ তৈরি করলে আপনি সকালে সতেজ হয়ে উঠবেন। শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস বজায় রাখতে ঘুমের গুরুত্ব অপরিসীম।

পড়াশোনার-পাশাপাশি-ফিট

পড়াশোনার সময় সঠিক বসার ভঙ্গি বজায় রাখা

পড়াশোনা সময় সঠিক ভঙ্গিতে বসা মেরুদন্ডের ও ঘাড়ের  জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিছানায় শুয়ে পড়লে দ্রুত ক্লান্তি ও শরীরের ব্যথা আসে। সব সময় পিট সোজা রেখে আরামদায়ক চেয়ারে বসে পড়ার অভ্যাস করা উচিত । সঠিক ভঙ্গিতে বসলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ ভালো হয় এবং মনোযোগ বাড়ে। ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহারের সময় স্ক্রিনটি চোখের সমান্তরালে রাখুন। এতে ঘাড়ের উপর বাড়তি চাপ পড়ে না এবং চোখের আরাম হয়।

দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে না থেকে মাঝে মাঝে হাত-পা প্রসারিত করুন। আপনার পড়ার স্থানটি যেন অবশ্যই পর্যাপ্ত আলো ও বাতাস যুক্ত হয়। ভুল ভঙ্গিতে বসার কারনে দীর্ঘ সময় পিঠ বা কোমরে সমস্যা হতে পারে। টেবিল এর উচ্চতা এমন হতে হবে যেন আপনার হাতের কোনুই আরাম পায়। পা ঝুলিয়ে না রেখে মেঝেতে সমান্তরাল ভাবে রাখার চেষ্টা করা ভালো । বসার ভঙ্গি ঠিক থাকলে পড়াশোনায় একঘেয়েমি আসার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

নিয়মিত হাঁটাচলা করার অভ্যাস করা

প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাটা হার্টের জন্য ভালো। বাড়ির আশেপাশে বা পার্কে একটু হাঁটলে মন ও শরীর সতেজ হয়। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকলে শরীরে জড়তা তৈরি হতে পারে । এই জড়তা কাটাতে হাঁটাচলা করা অন্যতম একটি প্রাকৃতিক উপায়। হাঁটার সময় মোবাইল ব্যবহার না করে চারপাশের প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করুন । এটি আপনার সৃজনশীল চিন্তাভাবনা বাড়াতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে।

 পড়ার চাপে যখন খুব ক্লান্ত লাগবে তখন একটু হেঁটে আসুন দেখবেন ফিরে এসে আগের চেয়ে অনেক বেশি ভালো পড়তে পারছেন। সুযোগ থাকলে লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এটি আপনার পায়ের পেশী মজবুত করতে এবং ক্যালরি ঝরাতে সাহায্য করবে। আলাদা করে ব্যায়াম করার সময় না পেলে সিঁড়ি ব্যবহার করা উত্তম । এই ছোট ছোট পরিবর্তন গুলো আপনাকে শারীরিকভাবে অনেক ফিট রাখবে।

ফিট থাকতে চাইলে জাঙ্ক ফুড পুরোপুরি বর্জন করুন

বাইরের অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার শরীরের মেটাবলিজম কমিয়ে দেয়। ফাস্টফুড খেলে পেটে গ্যাস বা হজমের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শিক্ষার্থীদের জন্য পেটের সুস্থতা পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখার প্রধান শর্ত। তাই যতটা সম্ভব বাইরের মুখরোচক অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় বা অতিরিক্ত চা কফি সাময়িক শক্তি দিলেও পরে ক্লান্তি বাড়ায়।

এর পরিবর্তে ডাবের পানি অথবা ফলের রস পান করতে পারেন। প্রাকৃতিক খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিক রাখা এবং শরীর ঠান্ডা রাখে। পুষ্টিকর খাবার আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে। ঘরে তৈরি টাটকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা সবচাইতে বেশি বুদ্ধিমানের কাজ। এতে করে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আপনি সতেজ থাকবেন।

স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করা শিখুন

আজকাল অনলাইন ক্লাস এবং পড়াশোনার জন্য স্ক্রিনে অনেক সময় কাটে। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে । তাই পড়াশোনার বাইরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অযথা সময় কাটানো কমিয়ে দেওয়া উচিত। স্ক্রিন থেকে নির্দিষ্ট বিরতি নেওয়া আধুনিক সময়ের একটি পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার উপায়। রাতে ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার করা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।  ফোনের নীল আলো মস্তিষ্কের হরমোন নিঃসরণ কমিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখে।

তাই রাতে ফোন ব্যবহারের চেয়ে বই পড়ার অভ্যাস করা খুবই জরুরী। এটি আপনার কল্পনা শক্তি বাড়াবে এবং চোখের আরাম প্রদান করতে সাহায্য করবে। স্ক্রিন ব্যবহারের সময় সঠিক নিয়ম মেনে চলতে হবে।  এতে আপনার শারীরিক ফিটনেস ঠিক থাকবে।

পড়াশোনার পাশাপাশি শখের কাজে কিছুটা সময় দিন

সারাদিন শুধু পড়াশোনা করলে মনে একঘেয়েমি চলে আসবে এটা খুবই স্বাভাবিক।  তাই প্রতিদিন অন্তত আধাঘন্টা নিজের পছন্দের কোন কাজ করার চেষ্টা করুন।  হতে পারে সেটা বাগান করা ছবি আঁকা অথবা কোন বাদ্যযন্ত্র বাজানো।  এই কাজগুলো আপনার মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর করে আনন্দ দিতে সাহায্য করে।  শখের কাজ করলে মনে প্রফুল্লতা আসে এবং এটি এক ধরনের থেরাপি।  যখন মন ভালো থাকে তখন কঠিন পড়াশোনা গুলো অনেক সহজ মনে হয়। 
পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের প্রতিভা চর্চা করা একজন শিক্ষার্থীর জন্য জরুরী। এছাড়া বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে গল্প করে সুন্দর সময় কাটান।  সামাজিক যোগাযোগ আপনার একাকীত্ব দূর করে এবং মানসিকভাবে আপনাকে শক্তিশালী করে। হাসিখুশি থাকলে শরীরের স্ট্রেস কমে যায় যা আপনাকে সুস্থ রাখে। নিজেকে সময় দেওয়া আপনার শারীরিক সুস্থতার জন্য অনেক জরুরী।

পড়াশোনার-পাশাপাশি-ফিট

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত

পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের শরীরের অবস্থা সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী।  ছোটখাটো কোন সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন । বিশেষ করে চোখের পরীক্ষা এবং রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করা বেশ ভালো।  শরীর সুস্থ না থাকলে কোন লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব হয় না। রক্তে হিমোগ্লোবিন অথবা ভিটামিনের অভাব থাকলে শরীরে দ্রুত ক্লান্তি চলে আসে।  সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো অনেক নিরাপদ। 

 এটি আপনাকে ভবিষ্যতে বড় কোন শারীরিক জটিলতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। স্বাস্থ্য রক্ষা করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি অপরিহার্য পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার উপায়। নিজের শরীরের সংকেতগুলো বোঝার চেষ্টা করুন।  এবং সেভাবে ব্যবস্থা নিন যদি খুব বেশি ক্লান্তি অথবা মাথা ব্যথা হয় তবে জোর করে পড়বেন না।  শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিলে সেটি আবার দ্বিগুণ শক্তিতে কাজ করতে পারে। স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল এই কথাটি সবসময় মনে রাখবেন।

শেষ কথাঃ  পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার উপায়

পরিশেষে বলা যায়, পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকলে ক্যারিয়ার গঠনে খুব ভালো ফলাফল দেয়।  অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার চাপে নিজের স্বাস্থ্যের অবহেলা করেন।  যা দীর্ঘ মেয়াদে বড় ক্ষতি ঢেকে আনতে পারে।  আশা করি আজকের আর্টিকেল আলোচিত বিষয় গুলো আপনার ব্যস্ত জীবনে একটি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। নিজের দৈনিক ছোট ছোট অভ্যাসগুলো যুক্ত করাই মূলত পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকার উপায়।

আমার মতে পড়াশোনার পাশাপাশি ফিট থাকতে হলে নিয়মিত নিজের যত্ন নিন নিয়ম মেনে চলুন তাহলেই ভাল ফলাফল পাবেন। আজ থেকে নিজের যত্ন নেওয়া শুরু করুন এবং সুস্থ শরীরে সাফল্যের দিকে এগিয়ে যান।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

লার্ন উইথ নুসরাতের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url