মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার নিয়মঃ সম্পূর্ণ গাইডলাইন
বর্তমান সময়ের টাইপিং একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। অনেকে মনে করেন কম্পিউটার বা
ল্যাপটপ ছাড়া প্রফেশনাল টাইপিং শেখা সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি চাইলে আপনার হাতের
মোবাইল দিয়ে খুব সহজে টাইপিং শিখতে পারেন।
আজকে আমরা জানবো কিভাবে খুব সহজে ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে টাইপিংয়ে দক্ষ
হয়ে ওঠা যায়।
পেজ সূচিপত্রঃ মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার নিয়মঃ সম্পূর্ণ গাইডলাইন
- মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার নিয়ম
- প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং সঠিক সেটআপ
- সেরা টাইপিং অ্যাপস এবং ওয়েবসাইট
- হাতের পজিশন এবং বসার ভঙ্গি
- টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সহজ কৌশল
- নিয়মিত অনুশীলনের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব
- সঠিক কিবোর্ড লেআউট নির্বাচন করা
- মোবাইল দিয়ে টাইপিংএ ভুল সংশোধন করার সঠিক উপায়
- বাংলা টাইপিং শেখার সহজ উপায়
- টাইপিং দক্ষতার বিভিন্ন ক্যারিয়ার সুবিধা
মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার নিয়ম
স্মার্টফোনে টাইপিং শেখা এখন অনেক সহজ ও সাশ্রয় একটি মাধ্যম। কম্পিউটার না
থাকলেও কেবল একটি কিবোর্ড যুক্ত করে প্র্যাকটিস শুরু করা যায়। এ পদ্ধতিতে আপনি
যে কোন জায়গায় বসে খুব সহজে অনুশীলন করতে পারবেন।তাই অবহেলা না করে আজ এই দারুন
কৌশলটি শেখা শুরু করুন।সঠিক গাইডলাইন মেনে চললে খুব দ্রুত গতি বাড়ানো সম্ভব হয়।
শুরুতে একটু কঠিন মনে হলেও নিয়মিত চর্চা এটি সহজে হয়ে যায়। বাজারে থাকা সাধারণ
কিছু গেজেট এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। এই আর্টিকেল আমরা ধাপে ধাপে সব
বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করব।
যারা সরকারি বা বেসরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটি উপকারী।
টাইপিং স্পিড ভালো থাকলে অনেক পরীক্ষায় বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। তাই ল্যাপটপ
কেনার বাজেট না থাকলে বিকল্প পদ্ধতিটি বেছে নিন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক
বিস্তারিত প্রয়োজনীয় সব তথ্য।
প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং সঠিক সেটআপ
মোবাইলে টাইপিং করার জন্য প্রথমে একটি ওটিজি ক্যাবল প্রয়োজন হবে। এই ওটিজি
ক্যাবলের সাহায্যে মোবাইলকে সাধারণ কিবোর্ড এর সাথে যুক্ত করা হয়। বাজারে টাইপ
সি বা মাইক্রো ইউএসবি দুই ধরনের ওটিজি কিনতে পাওয়া যায়। আপনার ফোনের পোর্ট
অনুযায়ী সঠিক ওটিজি কেবিলটি বাজার থেকে বেছে নিন। ক্যাবলের পাশাপাশি আপনার
প্রয়োজন হবে একটি ভালো ইউএসবি কিবোর্ড। আপনি চাইলে যে কোন কম্পিউটারের দোকান
থেকে কম দামে এটি কিনতে পারেন।
কিবোর্ডটি মোবাইলের সাথে কানেক্ট করার পর ফোনের সেটিংস অপশনে যান। সেখান থেকে
ওটিজি কানেকশন অপশনটি অবশ্যই চালু করে দিতে হবে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা
শুরু করে। সঠিক সেটাপ সম্পন্ন হলে আপনি টাইপিং করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
আরও পড়ুনঃ মোবাইলের জন্য কোন কিবোর্ড টি ভালো
সেরা টাইপিং অ্যাপস এবং ওয়েবসাইট
মোবাইলে টাইপিং এর বিষয়ে জানার জন্য প্লে স্টোরে অনেক ভালো ভালো অ্যাপস রয়েছে।
মোবাইলে টাইপিং শেখার নিয়ম হিসেবে টাইপিং মাস্টার অ্যাপটি বেশ জনপ্রিয়। এই
অ্যাপ গুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার প্রতিদিনের টাইপিং অগ্রগতি দেখতে পারেন।
অ্যাপ গুলো সম্পন্ন ফ্রি হওয়াই যে কেউ এগুলো খুব সহজে ব্যবহার করতে
পারে। অ্যাপ ছাড়াও কিছু চমৎকার ওয়েবসাইট সরাসরি ব্রাউজারে ব্যবহার করা
যায়।
বাংলা টাইপিং অনুশীলনের জন্য রিদমিক বা জিবোর্ড ব্যবহার করতে পারেন। এই কিবোর্ড
অ্যাপ গুলোতে খুব সহজে বাংলা ফোনেটিক লেআউট সেট করা যায়। নিয়মিত অ্যাপ এবং
ওয়েবসাইট ব্যবহার করলে আপনার টাইপিং এর ভুলগুলো দ্রুত কমে আসবে। তাই প্রতিদিন
নতুন নতুন লেসন বা পার্টগুলো প্র্যাকটিস করুন।
হাতের পজিশন এবং বসার ভঙ্গি
কিবোর্ডে আঙ্গুল রাখার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যাতে হোম-রো বলে। মাঝখানে
লাইনে এএসডিএফ এবং জেকেএল এর ওপর আঙ্গুল রাখুন। শুরুতে স্ক্রিন বা কিবোর্ডের
দিকে না তাকিয়ে টাইপ করার চেষ্টা করা ভালো। সঠিক আঙ্গুলের পজিশন আপনার টাইপিং
স্পিড দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে।টাইপিং করার সময় বসার ভঙ্গি সঠিক রাখা
অত্যন্ত জরুরি। চেয়ারে পিঠ সোজা করে বসে টেবিলের উপর কিবোর্ডটি রেখে অনুশীলন
করুন।
বিছানায় শুয়ে বা বাঁকা হয়ে টাইপ করলে দ্রুত ক্লান্তি চলে আসতে পারে। সঠিক
ভঙ্গিতে বসলে দীর্ঘক্ষণ ক্লান্তিহীন ভাবে প্র্যাকটিস করা সম্ভব
হয়। মোবাইলের স্ক্রিনটি আপনার চোখ থেকে অন্তত ১ ফুট দূরত্বে রাখুই।
স্ক্রিনের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে চোখের উপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে তাই
প্রতি ২০ মিনিট পর পর চোখকে সামান্য বিশ্রাম দেওয়া উচিত। সঠিক ভঙ্গি ও
নিয়ম মেনে চললে শারীরিক কোন সমস্যা হবে না।
টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সহজ কৌশল
শুরুর দিকে গতি বাড়ানোর চেয়ে সঠিক টাইপ করার দিকে মনোযোগ দিন। ভুল কম হলে টাইপিং
এর গতি এমনিতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট
সময় নির্দিষ্ট করে প্র্যাকটিস করুন। নিয়মিত অনুশীলনী হচ্ছে মোবাইল দিয়ে টাইপিং
শেখার নিয়ম এর মূল চাবিকাঠি। টাইপিং করার সময় মনে মনে শব্দগুলো উচ্চারণ
করলে ভুল কম হয়। প্রথমদিকে কিবোর্ডের প্রতিটি অক্ষরের অবস্থান ভালোভাবে মুখস্ত
করার চেষ্টা করুন।
যখন হাত সেট হয়ে যাবে তখন না তাকিয়ে দ্রুত টাইপ করতে পারবেন। ধৈর্য ধরে
প্রতিদিন অল্প অল্প করে নিজের লক্ষ্য পূরণ করার চেষ্টা করুন। আপনার টাইপিং স্পিড
কেমন তা যাচাই করতে প্রতি সপ্তাহে টেস্ট দিন। স্পিড টেস্ট দিলে নিজের
ভুলগুলো ধরা পড়ে এবং আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়ে। আগের দিনের চেয়ে আজ কতটুকু ভালো
করলেন তা ডায়েরীতে লিখে রাখুন। এই ছোট ছোট কৌশল গুলো আপনার টাইপিং দক্ষতাকে
প্রফেশনাল পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
নিয়মিত অনুশীলনের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব
যেকোনো নতুন কাজ শেখার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক
দিন অনেক বেশি প্র্যাকটিস করে বাকি দিনগুলো বসে থাকলে লাভ হবে না। প্রতিদিন
নির্দিষ্ট একটি সময়ে অন্তত আধাঘন্টা কিবোর্ড নিয়ে বসার চেষ্টা করুন। এ
ধারাবাহিকতা আপনার আঙ্গুলগুলোকে অক্ষরের অবস্থানের সাথে অভ্যস্ত করে তুলবে।
নিয়মিত চর্চা করলে টাইপিং এর গতি দিন দিন স্বয়ংক্রিয় ভাবে বাড়তে থাকে।
শুরুর দিকে টাইপিং করতে কিছুটা বিরক্ত বা একঘেয়ে লাগতে পারে।
কিন্তু যখন আপনি গতি বাড়তে দেখবেন তখন নিজের মধ্যে ভালো লাগা কাজ করবে।
অনুশীলনের মাধ্যমে ভুল টাইপ করার প্রবণতা চিরতরে দূর করা সম্ভব হয়। পড়াশোনা বা
অন্য কাজের ফাঁকে অনুশীলনের সময়টি বের করে নিন। সকালে বা রাতে যখন মন শান্ত
থাকে তখন টাইপিং করা সবচেয়ে ভালো। অলসতা দূর করে প্রতিদিনের রুটিনে টাইপিং
অনুশীলনের সময়টি যুক্ত করুন।
সঠিক কিবোর্ড লেআউট নির্বাচন করা
টাইপিং শেখার আগে সঠিক কিবোর্ড লেআউট নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারে "QWERTY" লেআউট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয়।
মোবাইলের জন্য কিবোর্ড কেনার সময় নিশ্চিত হন তা এই লেআউটের কিনা। পরবর্তীতে
কম্পিউটার টাইপ করতে কোন সমস্যা হবেনা। ইংরেজি টাইপিং এর পাশাপাশি বাংলা টাইপিং এ
লেআউট আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে। বাংলায় টাইপ করার জন্য বিজয় বা
অভ্র ফনেটিক লেআউট শেখা ভালো।
চাকরির পরীক্ষায় সাধারণত বিজয় লেআউটের ব্যবহার বেশি দেখতে পাওয়া
যায়। তাই আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী সঠিক লেআউট শুরুতেই পছন্দ করে নিন।
ভুল লেআউট এ টাইপিং শিখলে পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই প্রথম দিন থেকে সঠিক এবং আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে কিবোর্ড ব্যবহার
করুন। সঠিক লেআউট পছন্দ করা একটি বুদ্ধিমানের মতো এবং কার্যকরী মোবাইল দিয়ে
টাইপিং শেখার নিয়ম।
মোবাইল দিয়ে টাইপিংএ ভুল সংশোধন করার সঠিক উপায়
টাইপিং শেখার শুরুতে গতি বাড়ানোর চেয়ে সঠিক লেখার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। ভুল
টাইপিং করার অভ্যাস তৈরি হলে পরবর্তীতে স্পিড বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। যখনই কোন
অক্ষর ভুল হবে সাথে সাথে তার সংশোধন করে নিন। তবে বারবার ব্যাকস্পেস ব্যবহার করার
প্রবণতা কমানোর চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত ব্যাকস্পেস ব্যবহার করলে টাইপিং এর
স্বাভাবিক গতি বা রিদম নষ্ট হয়ে যায়। তাই প্রতিটি শব্দ টাইপ করার সময় একটু ধীর
স্থির ভাবে আঙ্গুল চালান।
ভুল কম হলে টাইপিং এর গতি এমনিতে অনেক গুণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে। নিজের ভুলগুলো
একটি খাতায় নোট করে রাখলে পরবর্তীতে সচেতন থাকা যায়। টাইপিং টেস্ট দেওয়ার সময়
আপনার সঠিকতার হার চেক করুন। চেষ্টা করুন আপনার টাইপিং এর সঠিকতা যেন সবসময় ৯৫
পার্সেন্ট এর উপরে থাকে। সঠিকতা বজায় রেখে টাইপ করতে পারলে আপনি যেকোনো বড়
ডকুমেন্ট দ্রুত লিখে শেষ করতে পারবেন।
বাংলা টাইপিং শেখার সহজ উপায়
আজকাল বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইংরেজি টাইপিং এর পাশাপাশি বাংলা টাইপিং জানা জরুরী।
মোবাইলে বাংলা টাইপ করার জন্য ফোনেটিক বা অভ্র পদ্ধতি সবচেয়ে সহজ। ইংরেজি অক্ষরে
Ami লিখলে তার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমি হয়ে যায় যা অত্যন্ত সুবিধাজনক।
শুরুর দিকে এই ফোনেটিক পদ্ধতিতে প্র্যাকটিস করলে দ্রুত বাংলা লেখা শেখা
যায়। তবে প্রফেশনাল কাজের জন্য বিজয় কিবোর্ড লেআউট শেখা সবচেয়ে বেশি
উত্তম।
আরও পড়ুনঃ মোবাইলে অভ্র ফনেটিক সেট করার কৌশল
বিজয় লেআউটের যুক্তাক্ষর লেখার নিয়ম গুলো একটু ভালো করে মুখস্থ করে নিতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত একটি করে বাংলা অনুচ্ছেদ বা প্যারাগ্রাফ কিবোর্ড দিয়ে টাইপ
করুন। বাংলা টাইপিংয়ে দক্ষ হলে আপনার কাজের পরিধি আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে।
অনলাইনে বিভিন্ন বাংলা নিউজপেপার বা ব্লগ দেখে দেখে টাইপ করতে পারেন। এতে নতুন
নতুন বাংলা শব্দের বানান এবং যুক্তাক্ষর লেখার উপর ভালো দখল আসবে। নিয়মিত বাংলা
টাইপ করলে ভাষার প্রতি যেমন জ্ঞান বাড়বে তেমনি কাজের দক্ষতা উন্নত হবে।
টাইপিং দক্ষতার বিভিন্ন ক্যারিয়ার সুবিধা
ভালো টাইপিং স্পিড জানা থাকলে বর্তমান যুগে ক্যারিয়ারে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
বিশেষ করে অফিস সহকারী বা কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক যোগ্যতা।
টাইপিং এ গতি ভালো থাকলে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় সহজে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকা
যায়। তাই ছাত্র জীবনে এটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতাটি অর্জন করা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের
কাজ হবে। চাকরি ছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং বা ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য টাইপিং
স্পিড প্রয়োজন বা ব্লগিংয়ের প্রচুর কাজ পাওয়া যায়।
আপনার টাইপিং গতি ভালো হলে আপনি অল্প সময়ে অনেক বেশি কন্টেন্ট লিখতে
পারবেন। এটি আপনার কাজের উৎপাদনশীলতা এবং আয় বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করবে।
পড়াশোনার ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্ট বা নোট তৈরি করতেও টাইপিং দক্ষতা দারুন কাজে
লাগে। নিজের নোট নিজে দ্রুত টাইপ করে নিলে সময় এবং টাকা দুটোই সাশ্রয় হয়।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে এই দক্ষতাটি আপনার আত্মবিশ্বাসকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে।
তাই ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে আজই টাইপিং শেখার পেছনে সময় দিন।
শেষ কথাঃ মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার নিয়ম
পরিশেষে বলা যায় যে, মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার জন্য ইচ্ছা আর সঠিক প্রচেষ্টা
থাকলে যেকোনো সীমাবদ্ধতায় জয় করা সম্ভব। কম্পিউটার বা ল্যাপটপ নেয় বলে টাইপিং
শেখা আটকে রাখার কোন প্রয়োজন নেই। আজকের ব্লগে আলোচিত মোবাইল দিয়ে টাইপিং শেখার
নিয়ম অনুসরণ করে আপনি ঘরে বসে দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন।
আমার মতে উপরের পদ্ধতি গুলো সঠিক ভাবে মেনে চললে আপনি খুব সহজে মোবাইল দিয়ে
টাইপিং শিখতে পারবেন। এরকম আরো ভালো ভালো টিপস পেতে আমাদের পাশে থাকুন।



লার্ন উইথ নুসরাতের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url