একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম


একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেয়ার নিয়ম জানা অত্যন্ত জরুরী, কারণ দীর্ঘ সময় মনিটরের সামনে থাকলে চোখের আর্দ্রতা কমে যায় ও ক্লান্তি আসে।  আমরা যারা পড়াশোনা, ফ্রিল্যান্সিং, অফিসিয়াল কাজ বা ডিজিটাল মার্কেটিং সংক্রান্ত কাজে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের সামনে সময় কাটাই তাদের চোখের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে।

চোখের-যত্ন

একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেয়ার নিয়ম মেনে চলা বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমাদের সার্বিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। ডিজিটাল আই স্ট্রেইন এড়িয়ে চোখ সুস্থ রাখার বিস্তারিত গাইড পড়ুন। 

পেজ সূচিপত্র: একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম 

একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম 

আধুনিক কর্মজীবনে কম্পিউটার ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই কাজের ফাঁকে সঠিক নিয়ম-কানুন মেনে চলাই হল চোখ সুরক্ষার মূল উপায়। কাজের পরিবেশ ও অভ্যাসে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন আনলে চোখের উপর চাপ অনেকটাই কমে যায়। 

মনিটরের দূরত্ব ও অবস্থান 

পরিমিত দূরত্ব: মনিটর বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে আপনার চোখের দূরত্ব অন্তত ২০ থেকে ৩০ ইঞ্চি রাখা উচিত। স্ক্রিন খুব কাছে থাকলে চোখের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। 

সঠিক অ্যাঙ্গেল: মনিটরের ওপরের অংশটি যেন আপনার চোখের সোজা বা সামান্য নিচের দিকে থাকে স্ক্রিনের কেন্দ্রবিন্দু চোখ থেকে ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রি নিচে থাকলে চোখের পাতা স্বাভাবিকভাবে খোলা থাকে ফলে চোখের আর্দ্রতা বজায় থাকে। 

ব্রাইটনেস ও অ্যান্টি গ্লেয়ার সেটিংস

আপনার ঘরের সাধারণ আলো বা ঘরের উজ্জ্বলতার সাথে মিল রেখে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস  সামঞ্জস্য করুন। অন্ধকারের মধ্যে উজ্জ্বল  স্ক্রিন বা অতিরিক্ত আলোর বিপরীতে কম ব্রাইটনেস এর  স্ক্রিন দুটোই চোখের জন্য ক্ষতিকর। 

স্ক্রিনের গ্লেয়ার বা প্রতিফলিত আলো কমাতে অ্যান্টি গ্লেয়ার ফিল্টার বা গ্লাস  স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করতে পারেন। 

ব্লু লাইট গ্লাস ব্যবহারের সুবিধা

কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনের ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে ক্রমাগত ক্ষতিকর নীল আলো বা ব্লু লাইট নিঃসৃত হয়। এ আলো দীর্ঘ মেয়াদে চোখের রেটিনা ও দৃষ্টি শক্তির ক্ষতি করতে পারে।

ডিজিটাল আই স্ট্রেইন হ্রাস করা

ব্লু কাট বা ব্লু লাইট প্রটেক্ট চশমায় বিশেষ ফিল্টার কোটিং থাকে, যা মনিটর থেকে নির্গত নীল আলোকে চোখে পৌঁছাতে বাধা দেয়। ফলে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার পরও চোখের জ্বালা পোড়া ও ক্লান্তি অনেকাংশে কমে যায়।

ঘুম ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা 

সন্ধ্যার পর বা রাতে স্ক্রিনে কাজ করলে ব্লু লাইট আমাদের শরীরে ঘুম সৃষ্টির হরমোন মেলাটোনিন নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করে। ব্লু লাইট গ্লাস ব্যবহারে এই প্রভাব কমে এবং কাজের পর স্বাভাবিক ও গভীর ঘুম নিশ্চিত হয়।

চোখের শুষ্কতা দূর করার রিফ্রেশিং ড্রপ

সাধারণত মানুষের চোখ মিনিটে ১৫ থেকে ২০ বার স্বাভাবিকভাবে পলক ফেলে। কিন্তু যখন আমরা স্ক্রিনের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে কাজ করি, তখন পলক ফেলার হার কমে মিনিটে মাত্র ৫ থেকে ৭ বার হয়ে যায়। এর ফলে চোখ দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ড্রাই আই সমস্যা সৃষ্টি হয়।

আর্টিফিশিয়াল টিয়ার্স বা লুব্রিকেটিং আই ড্রপ

চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রিজারভেটিভ মুক্ত রিফ্রেসিং আই ড্রপ বা লুব্রিকেটিং ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি চোখে শুষ্কতা, চুলকানি বা খসখসে ভাব দূর করে মুহূর্তের মধ্যে রিফ্রেশিং অনুভূতি এনে দেয়।

সজাগ হয়ে ঘন ঘন চোখের পলক ফেলা

কাজের মাঝে নিজেকে মনে করিয়ে দিয়ে ঘনঘন চোখের পলক ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিবার পলক ফেলার সাথে সাথে চোখের ওপরের অংশ প্রাকৃতিকভাবে সিক্ত হয়। 

ফ্রিল্যান্সারদের চোখের ব্যায়াম ও ২০-২০-২০ রুল

যারা ফ্রিল্যান্সিং, কোডিং বা বড় প্রজেক্টে দীর্ঘ সময় একনাগারে কাজ করেন, তাদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বিরতি নিয়া ও চোখের এক্সারসাইজ করা অপরিহার্য।

বিখ্যাত ২০-২০-২০ নিয়ম

নিয়মটি কি: প্রতি ২০ মিনিট কম্পিউটারে কাজ করার পর, ২০ সেকেন্ডের জন্য অন্তত ২০ফুট দূরত্বের কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকুন। 

কেন কার্যকরী: দূরে তাকানোর ফলে চোখের ফোকাসিং পেশি সম্পূর্ণ শিথিল হয় এবং চোখের দীর্ঘদিনের অর্জিত ক্লান্তি এক মুহূর্তে দূর হয়ে যায়।

সহজ কিছু আই এক্সারসাইজ

পামিং: দুই হাতের তালু ঘষে কিছুটা গরম করে চোখের ওপর আলতো করে দুই মিনিট ধরে রাখুন। এটি চোখের স্নায়ু গুলোকে শিথিল করে। 

মনি ঘোরানো: চোখ বন্ধ রেখে ঘড়ির কাটার দিকে এবং বিপরীত দিকে গোল করে মনি ঘোরান। এটি চোখের পেশীর নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।

স্ক্রিন টাইম কমানোর প্র্যাকটিক্যাল উপায় 

পেশাগত কাজের বাইরে অপ্রয়োজনীয় ডিজিটাল স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য  অত্যন্ত জরুরী। কাজের সময় সীমা সুনির্দিষ্ট করা এবং বাস্তব জীবনে সময় দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। 

কাজের মাঝে সুনির্দিষ্ট বিরতি 

টানা তিন থেকে চার ঘন্টা বসে কাজ না করে প্রতি এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরপর অন্তত পাচঁ থেকে দশ মিনিটের বিরতি নিন। সিট ছেড়ে উঠে দাঁড়ান, সামান্য হাঁটাচলা করুন এবং এক গ্লাস পানি পান করুন।

ডিজিটাল ডিটক্স ও নো-স্ক্রিন জোন

খাবারের টেবিল ও বেডরুম: খাওয়ার সময় এবং ঘুমানোর আগে ল্যাপটপ বা মোবাইল ব্যবহার পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন। 

অন্যান্য শখ: কাজের বাইরে সময় কাটাতে বই পড়া, বাগান করা কিংবা শারীরিক ব্যায়াম বা খেলাধুলার দিকে মনোযোগ দিন।

ডার্ক মোড ব্যবহার করলে চোখের উপকারিতা

আজকাল প্রায় সব অ্যাপ্লিকেশন, ব্রাউজার ও অপারেটিং সিস্টেমের ডার্ক মোড বা নাইট মোড থিম ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। এটি স্ক্রিনের বৈপরীত্য বা কনট্রাস্ট কমিয়ে চোখে স্বস্তি প্রদান করে।

ভিজ্যুয়াল স্ট্রেস বা চাপ কমানো

সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে যে তীব্র আলো বের হয়, তা দীর্ঘ সময় দেখলে চোখের উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে। ডার্ক মোড ব্যবহারে আলোর তীব্রতা অনেক কমে যায় ফলে দীর্ঘ সময় কাজ করলেও চোখের উপর বাড়তি ধকল পড়ে না।

গ্লেয়ার হ্রাস ও শক্তির সঞ্চয়

ডার্ক মোড ব্যবহার করলে স্ক্রিনের আলো  ছড়ানোর পরিমাণ কমে, যা বিশেষ করে কম আলো যুক্ত ঘরে কাজ করার সময় চোখে দারুণ স্বস্তি দেয়। একই সাথে এটি আপনার ডিভাইসের ব্যাটারির চার্জও সাশ্রয় করে।

অফিসে কাজের পরিবেশ ও আলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা 

আপনার কর্মক্ষেত্রের সঠিক আলোকসজ্জা চোখের স্বাস্থ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। পর্যাপ্ত ও সঠিক আলোর অনুপস্থিতিতে কাজ করলে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

সঠিক আলো নির্বাচন 

প্রাকৃতিক আলো: কাজের টেবিলে যেন প্রাকৃতিকভাবে যথেষ্ট আলো বাতাস থাকে। তবে খেয়াল রাখবেন সূর্যালোক যেন সরাসরি আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিনে এসে না পড়ে।

কক্ষ সজ্জা: অন্ধকার ঘরে কেবল কম্পিউটারের আলো জ্বালিয়ে কাজ করা মারাত্মক ক্ষতিকর। ঘরের সাধারণ আলো জ্বালিয়ে তারপর কম্পিউটারে কাজ করুন। 

এয়ার কন্ডিশনার ও বাতাস চলাচলের প্রভাব 

অফিসে যদি একটানা এসি চলে, তবে ঘরের আর্দ্রতা কমে গিয়ে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়। এসির বাতাস যেন সরাসরি চোখের মুখে এসে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কারন এটি চোখের প্রাকৃতিক জলীয় স্তরকে দ্রুত শুকিয়ে ফেলে শুষ্কতা বাড়িয়ে দেয়।

পুষ্টিকর খাবার ও চোখের ভেতরের পুষ্টি

বাহ্যিক পরিচর্যা ও সর্তকতার পাশাপাশি চোখকে ভিতর থেকে শক্তিশালী, সতেজ ও রোগমুক্ত রাখতে সঠিক পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ অপরিহার্য। নিয়মিত খাদ্য তালিকায় সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন, মিনারেল ও এন্টি অক্সিডেন্ট অন্তর্ভুক্ত করলে চোখের ক্ষয়রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হয়।

প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও উপাদানের উৎস 

ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন: গাজর, মিষ্টি আলু, পালং শাক, রুই ও ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। যা রাতের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড: সামুদ্রিক মাছ, কাঠবাদাম,আখরোট, তিল ও তিশির বীজে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড চোখের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং ড্রাই আই সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ভিটামিন সি ও ই: আমলকী, লেবু, পেয়ারা, টমেটো এবং সবুজ শাকসবজি চোখের স্নায়ু ও রক্তনালী গুলোকে সুরক্ষিত রাখে এবং বয়স বৃদ্ধিজনিত দৃষ্টি শক্তির হ্রাস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত পানি পান

প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা জরুরি। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে চোখ প্রাকৃতিক ভাবে পর্যাপ্ত অশ্রু তৈরি করতে পারে না, যা শুষ্কতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ।

প্রফেশনালদের জন্য নিয়মিত চোখের চেকআপ

যারা পেশাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজের খাতিরে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় একটানা কম্পিউটারের কাজ করেন, তাদের নিয়মিত বিরতিতে একজন বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক বা অপটোমেট্রিস্ট্রের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

চোখের পাওয়ার পর্যবেক্ষণ ও সংশোধন 

অজ্ঞাত পাওয়ারের ঝুঁকি: অনেক সময় আমাদের অজান্তেই চোখের সামান্য রিফেক্টিভ এর বা পাওয়ারের পরিবর্তন ঘটে। সঠিক চশমা ব্যবহার না করে কাজ চালিয়ে গেলে চোখের পেশিকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। ফলে মাথা ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা ও চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ তৈরি হয়।

বার্ষিক পরীক্ষা: বছরে অন্তত একবার কম্পিউটারে কাজ এর উপযোগী চশমা বা ভিশন টেস্ট করানো উচিত। চিকিৎসক প্রয়োজনবোধের কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কম্পিউটার গ্লাস  প্রেসক্রাইব করতে পারে।

ডায়াবেটিস ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা পরীক্ষা

যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদের রোগ রয়েছে, তাদের চোখের রেটিনা নিয়মিত পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। কারণ কম্পিউটারের অতিরিক্ত ব্যবহার এসব সমস্যাকে আরো জটিল করে তুলতে পারে।

ডিজিটাল আই স্ট্রেইন প্রতিরোধে সচেতনতা

একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম সঠিকভাবে জানার পর তা দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত চর্চা করার মাধ্যমে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম বা ডিজিটাল আই স্ট্রেইন থেকে নিজেকে পুরোপুরি মুক্ত রাখা সম্ভব। 

সচেতন অভ্যাস এর গুরুত্ব 

দীর্ঘ সময় মনিটরের দিকে এক দৃষ্টিতে না তাকিয়ে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা ও কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরোধী নেওয়ার মতো অভ্যাসগুলো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি থেকে চোখকে  বাঁচায়। ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের অবস্থান ও কাজের ভঙ্গি সঠিক রাখার মাধ্যমে চোখের ওপর বাড়তি চাপ অনেকাংশ কমানো যায়। 

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

যদি সব নিয়ম মেনে চলার পরও আপনার চোখে তীব্র যন্ত্রণা, ঝাপসা দেখা, দুটি করে জিনিস দেখা অথবা চোখ থেকে অনবরত পানি পড়ার মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়। তবে অবহেলা না করে  দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ঘরের সাধারণ আলো জ্বালিয়ে তারপর কম্পিউটারে কাজ করুন।

শেষ কথা: একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম 

আমাদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল একটি অঙ্গ হলো চোখ। বর্তমান যুগে কাজের প্রয়োজনে আমাদের স্ক্রিনের সামনে থাকতেই হবে, কিন্তু প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি সঠিক সচেতনতা থাকলে চোখের জ্যোতি ও সুস্থতা চিরকাল ভালো  রাখা সম্ভব। প্রতিদিনের কাজের ফাঁকে উল্লেখিত নিয়ম গুলো একটু গুছিয়ে পালন করুন এবং আপনার চোখকে রাখুন সতেজ স্বাস্থ্যকর ও কর্মক্ষম।  

আমার মতে, নিয়মিত যদি আপনি এই নিয়মগুলো মেনে চলেন তাহলে আপনার চোখের যে কোন সমস্যা এড়ানো সম্ভব। তাই নিয়মিত এরকম কার্যকরী টিপস পেতে আমার পাশে থাকুন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

লার্ন উইথ নুসরাতের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Nusrat Anjum
Nusrat Anjum
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও লার্ন উইথ নুসরাতের এডমিন । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।